হৃদয়ে বাংলা

সাম্প্রতিকতম
৬৪ জেলার ইতিহাস Aparupa Bengali Romantic Movie অতীত অন্যান্য অপরুপা অর্থিনীতির সংবাদ আইন-আদালত বিষয়ক পরামর্শ আকাঙ্খা আজিজুন নাহার আঁখির লেখা আঞ্চলিক সংবাদ আন্তর্জাতিক খবর আমার জীবন আমার স্বাস্থ আল্লামা মাহমুদুল হাসান ইচ্ছে ইতিহাস উন্নত স্বাস্থ কথা ঐতিহ্য ওমর ফারুকের লেখা কঙ্কাল কবিতা কমল কুমার রায়ের লেখা কয়েসাবা'র লেখা কিভাবে নিঃস্ব হয় শেয়ার মার্কেট খালিদ বিন আকরামের লেখা খেলা খেলাধুলা গ্রাম্য কবিতা চট্টগ্রামের আঞ্চলিক ভাষার খবর চাটুকার ছোট গল্প জাতীয় জাতীয় সংবাদ জিবাংলা আঞ্চলিক সংবাদ জীবনযাপন জেসমিন আকতারের লেখা জ্বীন-পরী ড: আসিফ নজরুল ডাকাত ডাকাতি ডাক্তারদের মহানুভবতা তথ্য এবং প্রযুক্তির সংবাদ এবং পরামর্শ তথ্য বিভাগ তারেক আল মামুনের লেখা তেলবাজ দেশাত্ববোধক কবিতা দেশের কবিতা দৈনন্দিন জীবন ধর্ম বিষয়ক আলোচনা নারী নারীকে নিয়ে কবিতা পপি প্রামানিকের লেখা পরশ্রীকাতর পর্যটন পল্লী কবিতা পূর্ণদৈর্ঘ্য বাংলা ছায়াছবি পেত্নী প্রতিবাদী কবিতা প্রবন্ধ প্রবাস প্রবাসী প্রবাসের খবর প্রেমের কবিতা প্রেমের গল্প ফটো গ্যালারি ফরিদা ইয়াসমীন নার্গিসের লেখা বাবুনগরী পেলেন ৩ ভোট বাংলা কবিতা বাংলা গান বাংলা রোমান্টিক মুভি বাংলাদেশের দর্শনীয় স্থান বাংলার প্রকৃতি বিচ্ছেদের কবিতা বিরহ ব্যথা বিরহের কবিতা বিরহের গান বেফাকের সভাপতি ভালবাসার কবিতা ভালবাসার গল্প ভালোবাসার অধিকার ভালোবাসার কবিতা ভালোবাসার গল্প ভুতের গল্প ভৌতিক গল্প মতামত মমতা পালের লেখা ময়না তদন্ত মর্মভেদী আকাঙ্খা মায়ের কবিতা মিউজিক মুবারাত আহনাফ তাহমিদের লেখা মোঃ সেলিম হোসেনের লেখা মোসাঃ জান্নাতুল মাওয়ার লেখা মোসা: সুলতানার লেখা মোহাম্মদ সহিদুল ইসলামের কবিতা রত্না রায় চৌধুরীর লেখা রমজান আলীর লেখা রূপসী বাংলা রেখা দাসের লেখা রৌদ্রময় শাখাওয়াত হোসেন যাযাবরের লেখা শাহ সাবরিনা মোয়াজ্জেমের লেখা শেয়ার মার্কেট শ্রেষ্ঠ নারী সহিদুলের কবিতা সহিদুলের লেখা সাহিত্য সিলেটের আঞ্চলিক ভাষায় সংবাদ সুমন সিকদারের লেখা সুমিতা দত্ত কানুনগো এর লেখা সোনার বাংলা সোহরাব হোসেনের লেখা স্বপ্নের সিঙ্গাপুর স্বাধীনতার কবিতা স্বাস্থ কথা স্বাস্থ্য বিষয়ক পরামর্শ স্মৃতি হাসনাহেনা রানুর কবিতা


স্বপ্নলোকের সিঁড়ি

হাসনাহেনা রানু

 

আমি আসব বলে কি দাঁড়িয়েছিলে ধান সিড়ি নদীর তীরে?

ভালবাসবে বলে কি দু'হাত বাড়িয়েছিলে বুকে টেনে নিতে ?

হাওয়ায় দোলা শুভ্র কাশফুলের নিবিড় অরণ্যে নীল শাড়ি,

নীল টিপে সেজেছিলাম নিজেকে অনন্যা করে।

ঠোঁটের বাঁকে ছোট্ট এক কালো তিল দেখে ----

 

তোমার ওই ভেজা ঠোঁটের বাঁকে রিনিঝিনি হাসির ছন্দে

মুখরিত হয়েছিল কি অচিন লোকে :

আমার জানা হয়নি সে কথা।

আমি আসিনি ভালবাসিনি,

আমার প্রেমে তুমি ভাসনি !

নিঃসঙ্গতা কি ছুঁয়ে ছুঁয়ে গেছে তোমাকে ?

ওই দুই চোখ ভেসেছিল কি চোখের জলে ?

কেন আসিনি কাছে টানিনি : ভালবাসিনি সুরের মোহনায় ভাসাইনি ----

 

অভিমানে ভরেছে কি তোমার নিকানো মন ;

এই লুকোচুরি ধাঁধা ভাললাগে না

অনুরাগ রাগ করো না

এখন মেঘলা তোমার মন কাঁদে সারাক্ষণ

কি করে বলব অনুক্ষণ

একটা উপায় বলো না ,

আমার ভালবাসার নীল কষ্টে এক সমুদ্র বয়ে যাবে

তোমার চোখে রবীন্দ্র ভাবনা :

অমিত হয়েই ছুঁয়েছ গভীর রাতে ফোঁটা লাবণ্য স্বপ্ন কুঁড়ি ----

সে কি আমি জানি না?




মর্মভেদী আকাঙ্খা

..................….....✏
মোহাম্মদ সহিদুল ইসলাম
ছোট্ট এ জীবনে অল্প-স্বল্প কত কিছুই বুঝা হলো,
কিন্তু বুঝা হলো না ভালবাসা কি?
জানা হলো না কিভাবে
ভালবাসতে হয়?
এ আমার চরম ব্যর্থতা।
এ ব্যর্থতার দায় তো আমারই,
কারণ তোকে হৃদয়ের কতটা গভীরে ধারণ করি,
সেটা তো আমি বুঝাতে ব্যর্থ হয়েছি।
তোকে হৃদয় পোষণ করে
নিজেকে ইট ভাটার কয়লা বানিয়েছি।
বুঝাতে পারিনি তোকে,
কতটা দহনে আমি ঝামায় রুপান্তর।
তবে তুই ছাড়া যে আমার হৃদয় মন্দিরে
অনন্ত-অসীম শুন্যতা বিরাজ করে,
সেটাতো এখনো আমি বুঝতে পারি।
এখনও তোকে কাছে পাবার মর্মভেদী আকাঙ্খা,
হৃদয়ে তোলপাড় করে।
তোকে কাছে পাবার তীব্র বাসনায় আজো আমি,
মেহেদী পাতার মত বেঁচে আছি,
যে মেহেদী পাতার অন্ত লোহিত সাগরে
তকলিফের লহরী আছড়ে পড়ে অহর্নিশ।
ভালবাসতে পারিনি ঠিক আছে, হয়তো অজ্ঞতার কারণে,
তবে কেন এখনো না পাওয়ার বেদনা
আমায় নিয়ে খেলা করে!!
নিয়তি কেনো এখনো আমাকে কাঁদায়!
জানি, হয়তো অসময়ে আসবে না বৃষ্টি,
হয়তো কখনো হবে না অনাসৃষ্টি,
তাইতো
সময়ের বিবর্তনে আমিও বিবর্তিত হয়েছি,
ইচ্ছে হলেও বলতে পারিনা
তোকে ছাড়া আমি বাঁচবো না।
কারণ, এতদিন তো বেঁচে ছিলাম।
এখনো হয়তো বেঁচে থাকবো,
তবে এই বেঁচে থাকা যে অনেক কষ্টের
প্রতিটা মুহূর্তে যেন মৃত্যুর স্বাদ।
আমি যেমন বুঝাতে ব্যর্থ, তুইও সত্যিকারের
ভালোবাসার মূল্য দিতে চাসনি,
হয়ত যোগ্যতা, কিংবা চেহারায় আমি পরাজিত।
তবে
এ পরাজয়ে আমি লজ্জিত নই,
কারণ
আমি হেরেছি বলেই তুই জিতেসিস।
প্রয়োজনে আমি শতবার, হাজার বার,
লক্ষ বার, অনন্তকাল হারবো,
তবু তোকে জিতাবো,
আমার ভালবাসাকে জিতাবো,
আর বলবো,
প্রথমা,
তোকে ভালোবাসতাম,
ভালোবাসি,
ভালোবাসবো
অনন্তকাল.......!!!


অনুভুতিহীন
ভালবাসার শূন্য এক পৃথিবী

হাসনাহেনা রানু 

 

বিমূর্ত রাত্রি তুমি আমাকে সঙ্গে নেবে ?

বলো নেবে..

ঘনজঙ্গলে ঘুমিয়ে থাকা গভীর রাত্রির আদি রহস্য জানার এক অদ্ভুত  অনুভুতি  গুলো                  

আমি লিখবো আধুনিক টানা গদ্য

কবিতার কোলাজ চিত্রে ;

দূরের পথ মাড়িয়ে হারাবো অচেনা দেশের ভৌগলিক সীমারেখায়, ----

যতই কাঁটা তারের বেড়া থাকুক

মানবো না  সে বাঁধা; হাঁটব একা ,

হোক সে গভীর রাত্রি --  

 নিঃসঙ্গ আর নিস্তব্ধ

আমার মত :

আকাশে বাতাসে মেঘের ঘনঘটা

প্রকৃতিতে বিরহ সুরের মূর্ছনা ;

আমি ভেজা মেঘের বৃষ্টি মেখে                          

নীল প্রজাপতি ডানায় রোজ একটা করে স্বপ্ন সাজাই!

আমার স্বপ্ন নীল পৃথিবীর  কুয়াশায় আচ্ছন্ন থাকে প্রায়শই;                 

কখনো দুঃখ সুতোয় বাঁধা!

গোলাপের ঝরে পড়া কান্না:

শ্রাবণ রাতের বিরহী বৃষ্টির সুর

কদমের ডালে বিষন্ন   পাখির গান

ঝিঁঝিঁ পোকার টানা কোরাস!

 

 

গভীর রাতে পাখিদের ঘুম ভেঙ্গেছে

দু'একটি ঘাস ফড়িং জেগেছে,

দশটা তারা লুকোচুরি খেলছে মেঘের আড়ালে,

ভাললাগা  অনুভূতি ঢেউ খেলে যায় অজানা আবেগে !

অসংখ্য সমুদ্র আজ সঙ্গী বিহীন

ওদের জন্য আমার মন খারাপ ভীষণ,

আমি কবিতার কাছে ফিরে আসি 

কবিতা এবং সমুদ্র এখন খুব কাছাকাছি :

সমুদ্রের জলে তোলপাড় করা জলোচ্ছ্বাস ঢেউ ভাঙ্গছে একের পর এক

সে ধাক্কা এসে আছড়ে পড়ছে আমার চোখে মুখে

এত ঠান্ডা;

হীম করা হাওয়া

সমুদ্রের বুকে ভিজে হয়ে এসেছে মেঘ ,

গুঁড়ো গুঁড়ো হয়ে ঝরছে তুষার বৃষ্টি!

একটা গোধূলি সন্ধ্যা একটু একটু করে ডুবছে সমুদ্রের নোনা জলে;

একটা গাংচিল সঙ্গী বিহীন ,             

গাংচিলের দু'চোখ জলে ভেজা

আমার ভীষণ কষ্ট হল দৃশ্য দেখে!

 

পৃথিবীটা অনেক সুন্দর!

কিন্তু হলে কি হবে ?

এই মায়া ভরা সুন্দর পৃথিবীতে

প্রতিদিন,প্রতিটি মূহুর্ত কত বিচিত্র সব ঘটনা ঘটে যাচ্ছে :

রাত না ফুরোতেই দিন আসছে

দিন না ফুরোতেই রাত !

কোন কোন জীবন রঙিন

আবার কেউ চির দুঃখী ;

হে সোনালী ডানার গাংচিল , তোমার দুঃখের কাছে আমি হার মেনেছি !

অনন্ত কাল আমরা খুঁজে ফিরব পৃথিবীর সাদা মায়া --

মায়া বড় বিষাদের !

কেউ এই সুন্দর পৃথিবী ছেড়ে চলে যাচ্ছে :

 

কেউ  অচেনা পৃথিবীতে আসছে

কি বিচিত্র এই সৃষ্টির রহস্যখেলা ;

গভীর শূন্যতায় পড়ে আছে ফসল শূন্য ক্ষেত ,মাঠ , ঘাস ; ঘাসফুলের শিশির !

জ্যোৎস্নাস্নাত নৈঃশব্দ্য রাত্রি মাঘের আকাশের কালো মেঘের সাথে গল্প জমিয়েছে বেশ , -------

হঠাৎ বৃষ্টিতে চাঁদের ্যোৎস্না ধুয়ে গেছে!

 

সকালের আগুন রৌদ্রে শুকিয়েছে শিশির

এভাবে প্রতিদিন কত শত কোটি শিশির স্বপ্নের  মৃত্যু ঘটছে , --

শিশিরের কান্নার শব্দ শূন্য বাতাসে মিলিয়ে যায় প্রতিনিয়ত:

কেউ কি বলতে পারে এই পৃথিবীতে ভাল আছি -----

পৃথিবীটা একটা রঙ্গমঞ্চ!

প্রতিনিয়ত সবাই যে যার মত করে কেবল অভিনয় করে যাচ্ছে

এখানে সবাই অভিনেতা।

মানুষ বলে কথা :---

এই মানুষ একবার পৃথিবীতে আসলে আর যেতে চায় না

অথচ শূন্য হাতে তাকে ফিরে যেতে হয় !

হাই বিধাতা ! তোমার কেমন রহস্য ?

এত সুন্দর পৃথিবী কেন সৃষ্টি করেছ ?

আর কেনই বা মানুষ সৃষ্টি করেছ ?

কি বিচিত্র রহস্যময় সৃষ্টি তোমার !

একদিন পৃথিবী ধ্বংস হবে

আর মানুষ ;            

এই আসা যাওয়ার মাঝে

কি বোঝাতে চেয়েছ  বিধাতা --

সে তুমিই ভাল জান !

এত যত্ন করে মানুষ সৃষ্টি করে সেই মানুষকেই তুমি শাস্তি দেবে ?

কেন বিধাতা? কেন .....

কেন বিধাতা ?

আমার পিতা গত হয়েছেন

নিজগুণে ক্ষমা করো তুমি আমার বাবাকে!

গত হয়েছেন স্বজন - আত্মীয় পরিজন...

হে বিধাতা! ক্ষমা করো তাঁদের তুমি ক্ষমা করো!

তুমি না ক্ষমা করলে ...

আলোর দিশারী কি করে মিলবে :

ক্ষমা করো প্রভু আমার প্রাণ প্রিয় বাবাকে ,

ক্ষমা করো আমায় প্রাণের আলিফ সোনাকে ...

তোমার সৃষ্টির একটা পিপিলিকা কিম্বা  পাখিরাও নিঃসঙ্গ ,

নীল নক্ষত্র নিঃসঙ্গ

রাত্রির নীড়ে আমি চেয়ে থাকি অবাক অপলক চোখে

নির্জন নিরালয় কতকথা ভাবি বসে !

 

সবুজ পাতাও একদিন হলুদ হয়ে ঝরে পড়ে

দিনরাত ধাবিত হয় অসীমের পানে ,

ফুরোয় না কভু জীবনের সাধ !

নীল ধোঁয়ার মত নরম কুয়াশার শীত বিকেলও ্যর্থ হয় কোন কোন জীবনে,

ঘাসের গভীরে শিশিরের  বিচরণ

সেই শিশির বিন্দু ক্ষণজন্মা !

সে ঘুমিয়েছে নীল স্বপ্ন বুকে নিয়ে ----

রূঢ় রৌদ্দুরের তীক্ষ্ণ আঁচড়ে বারবার মৃত্যু হয়

সে মৃত্যু অনেক কষ্টের!

 

পৃথিবী থেকে একবার চলে গেলে

আর কোন দিন ভীড়বো পথে

বঞ্চিত হব শীতের রৌদ্রের আনন্দ থেকে,

কেউ ছিল আপনার আপন ; সব ভুলিব তখন

ব্যথা ভরে রবে মনে

গোপনে গোপনে কি যে ্যথা বেড়ে যাবে এই অন্তরে ;

রহস্যের ঘন কুয়াশায় ঢেকে যাবে শূন্য পৃথিবী --

কত উদাস দুপুর নিঃসঙ্গ পড়ে রবে

ক্লান্ত বিকেলের ব্যথা ভরা রক্তিম নীড়ে

আমার কৃষ্ণচূড়া রাত্রি গুলো পড়ে পড়ে  কাঁদবে  দিনরাত সারাবেলা আলো আঁধারে ঢাকা শৈশবে ;

আমার প্রিয় গোলাপের গন্ধ মিলাবে অন্ধকারে

আমার দুঃখ গুলো উল্টো পথে সাঁতার কাটবে সমুদ্রে ,

শরতের কাশফুল আমার কত প্রিয়!

খুঁজবো না আর প্রিয় ফুল

খুজবো না গন্ধ মাখা দিন

নরম রাত্রির বুকে : জ্যোৎস্নার নেমে আসা আর ছুঁয়ে দেখবো না হাতে

জানালার ফাঁকে নীল আকাশ দেখবো না চোখ মেলে ;

একদিন আমি নীরব নিঃশব্দ হয়ে যাব।

সেদিন মৃত্যু আমাকে ছুঁয়ে যাবে

আমি পড়ে রব অসাড় শূন্যতায়,

অন্ধকারে শান্ত ঘুম ঘোরে চলে যাব অনন্ত কালের  কাছে

বিদায় দেবে পৃথিবী ----

একমুঠো সোনালী রৌদ্দুর এসে খেলা করবে আমার দেহের প্রতিটা কনিকায়:

আমি জানি মৃত্যু একদিন আসবেই আসবে -----

এক্ষুণিই নয় এমন ঘোর অমানিশা সন্ধ্যা!

 

আমার অনেক কাজ বাকি

কবিতার কাছে ---

ফেরার বড় তাড়া আছে,

আমি কখনোই ভুলব না কবিতা তোমাকে

কথা দিলাম !

কবিতা , তুমি কি কথা রাখবে ?

ভুলে যাবে এই আমাকে?

কিছু গল্প , উপন্যাসের কাছে আমার শত জন্মের ঋন আছে

শূন্য মনে;

শোধিতে চাই সে ঋণ!

 

মেঘভেজা শূন্য বাতাসের ডানায় ভেসে যায় স্মৃতিময় কুয়াশার সরল সমুদ্র অশ্রুসিক্ত আমার কবিতার গল্প ;

 

সত্যিই গল্প বড় বেশি ব্যথিত  !

স্বপ্নলোকের সিঁড়ি _ হাসনাহেনা রানু

স্বপ্নলোকের সিঁড়ি হাসনাহেনা রানু   আমি আসব বলে কি দাঁড়িয়েছিলে ধান সিড়ি নদীর তীরে ? ভালবাসবে বলে কি দু ' হাত বাড...

MD SAHIDUL

Contact Form

Name

Email *

Message *

Powered by Blogger.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget